হাসপাতালের সাদা সিলিংটার দিকে এক দৃষ্টিতে চেয়ে আছে মেহের। যদিও চিত হয়ে হাসপাতালে শুয়ে থাকতে কারো ভালো লাগে না কিন্তু তার আসলে কিছু করার নেই। গতকাল মেহেরের অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন হয়েছে।

যদিও খুব বেশি সময় তাকে ওটিতে থাকা লেগেছিলো বা কোন ধরনের অতিরিক্ত সমস্যা হয়েছিলো তেমন নয়। তারপরও সত্যি বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিলো সে। ভয় পাওয়ার মতন বিষয়ও অবশ্য।

মাত্র কিছুদিন হলো কলেজের গণ্ডি পার করে ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া শুরু করেছে সে। লেখা পড়ার চাপ তো আছেই, সেই সাথে নতুন ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থায় অভ্যস্থ হতে চেষ্টা করছে সে। সারা জীবন বাংলায় পড়ে এসে এখন সব কিছুতে ইংরেজির কচকচানিটা একটু অন্যরকম লাগছে আরকি তার কাছে।

খাবারের সময়টাও খুব বেশি পাওয়া যেতো না বলে ভার্সিটির ক্যাফে থেকে ফাস্ট ফুড ধরনের খাবার খেয়েই ক্লাস করার সময়টা পার হচ্ছিলো মেহেরের। দেখতে দেখতে শীতকাল চলে এলো।

আর সবার মতন জ্বর ঠাণ্ডা তো আছেই সেই সাথে কিছু নতুন সমস্যা দেখা দিলো তার।  ক্ষুধা কমে যাওয়া (Decreased Appetite), পেট ফাঁপা (Stomach bloating) আর পেটের জ্বালাপোড়াসহ ব্যথা (Burning abdominal pain)। খাবারের অনিয়মে এমনটা হচ্ছে ভেবে মেহের এই লক্ষনগুলোকে অবহেলা করেই চলছিলো।

কিন্তু সপ্তাহখানেক আগে ব্যাপারটা আরো জটিল হতে শুরু করে। পেটের উপরের দিকে ব্যথা (Upper abdominal pain), তলপেটে ব্যথা (Lower abdominal pain) আর বমি বমি ভাব (Nausea) আগের লক্ষণগুলোর সাথে যুক্ত হওয়ায় বেশ চিন্তায় পরে গেলো সে। ব্যাথার পরিমাণ এতটাই বেশি যে ক্লাস করাও সম্ভব হচ্ছিলো না তার পক্ষে।

সেজান নামে মেহেরের এক বন্ধু সে ক্লাসে না আসায় ফোন করলো কি হয়েছে জানতে। কথায় কথায় মেহের জানায় সে কি কি সমস্যায় ভুগছে। সেজান তখন মেহেরকে বলে

“আচ্ছা তুই এক কাজ করলেই তো পারিস, এখন তো  অনলাইনে নিজের রোগের লক্ষণ থেকে নিজের সম্ভাব্য রোগ  খুঁজে বের করার ব্যবস্থা বাংলাতেও  চলে আসছে। আমি যেটুকু দেখলাম ভালোই তো উত্তর দেয়। তুই ট্রাই করে দেখতে পারিস।“

সেজান জানায় এনজাইম নামের সেই অ্যাপে শুধু নিজের রোগের লক্ষন থেকে রোগ নির্ণয় করা যায় তাই নয়, সেই সাথে লাইভে থাকা ডাক্তারের সাথে স্বাস্থ্য বিষয়ে পরামর্শ করা, চাইলে নিজের রোগ অনুযায়ী ডাক্তার সিলেক্ট করে ভিডিও কলে অথবা চেম্বারে যেয়ে চিকিৎসা নেয়ার ব্যবস্থাও আছে।

মেহের জিজ্ঞাস করে “আমি ল্যাপটপ থেকে ব্যবহার করতে পারলে ভালো হতো, ওদের কি শুধু অ্যাপ আছে?”  জবাবে সেজান জানায় ওয়েব সাইট থেকেও এনজাইমের সব সুবিধা ব্যবহার করা যাবে। ফোনে কথা শেষ করেই মেহের তার ল্যাপটপ নিয়ে বসে।

এনজাইমের ওয়েব সাইটে যেয়ে নিজের জন্যে একটা অ্যাকাউন্ট খুলে সিম্পটম চেকার চালু করে। দুরুদুরু বুকে নিজের সমস্যাগুলোর ব্যাপারে সেখানে সিলেক্ট করতেই বড় একটা ধাক্কা মতন খায় সে।

আরো কিছু সম্ভবনার সাথে সেখানে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের কথাও উল্লেখ আছে। কপালে চিন্তার ভাঁজ পরে মেহেরের। এনজাইমের সাইটেই থাকা আরেকটা অপশন আগেই নজরে পরেছিলো তার “রোগ ডিরেক্টরী” । সেখান থেকে রোগের কারণ আর লক্ষনগুলো দ্রুত পড়ে নিলো সে।

এ্যাপেন্ডিক্সের আস্তরণের ভেতরে যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয় সেটাই অ্যাপেন্ডিসাইটিস এর সম্ভাব্য কারণ। ব্যাকটেরিয়ার দ্রুত সংখ্যাবৃদ্ধির ফলে এ্যাপেন্ডিক্স ফুলে ওঠে আর সেখানে পুঁজ জমা হতে শুরু করে। যদি অবিলম্বে চিকিৎসা না করা হয় তাহলে এ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যাবার সম্ভবনা থাকে।

লক্ষণগুলো জানার জন্য পেজটার একটু নিচের দিকে চলে এলো মেহের,

অ্যাপেন্ডিসাইটিস এর লক্ষণসমূহঃ

  • পেটে তীক্ষ্ণ ব্যথা (Sharp abdominal pain)
  • তলপেটে ব্যথা (Lower abdominal pain)
  • বমি (Vomiting)
  • বমি বমি ভাব (Nausea)
  • জ্বর (Fever)       
  • পেটের জ্বালাপোড়াসহ ব্যথা (Burning abdominal pain)
  • শরীরের পার্শ্বীয় ব্যথা (Side pain)
  • ডায়রিয়া (Diarrhea)        
  • ঠাণ্ডায় কাঁপুনি (Chills)
  • ক্ষুধামন্দা/ ক্ষুধা কমে যাওয়া (Decreased Appetite)            
  • পেট ফাঁপা (Stomach bloating)

পেটের ভেতরে করতে থাকা চিনচিনে ব্যাথাটা এবার কেমন যেন ভয়ের আকার ধারন করতে শুরু করলো মেহেরের। এই লক্ষনের বেশিরভাগ গুলোই তো দেখা দিয়েছে তার! এখন কি করবে সে! কোন কারণগুলো থাকলে এই রোগের ঝুঁকি বাড়ে সেটাও একবার ইন্টারন্টে দেখে নেবার সিদ্ধান্ত নিলো মেহের।

যে কারণে অ্যাপেন্ডিসাইটিস এর ঝুঁকি বাড়তে পারেঃ

  • বয়স: অ্যাপেন্ডিসাইটিস যে কোন বয়সে হতে পারে তবে ১১ এবং ২০ বছর বয়সীদের এই রোগ হবার সমভবনা বেশি থাকে।
  • লিঙ্গ: মহিলাদের তূলনায় পুরুষদের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ১৪.১০ গুণ বেশি। সিস্টিক ফাইব্রোসিসে (Cystic Fibrosis ) ভুগছে এরকম ছেলে শিশুর অ্যাপেন্ডিসাইটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
  • খাবার: যারা কম ফাইবার যুক্ত এবং প্রক্রিয়াজাত শর্করা বা রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার বেশী খান তাদের অ্যাপেন্ডিসাইটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি ।
  • জন্ম ও বংশগত: জন্ম ও বংশগত কারণেও এই রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে। যদি পরিবারের কারো এই রোগটি থাকে তবে শিশুর এই রোগ হতে পারে।
  • ঋতু পরিবর্তন: অ্যাপেন্ডিসাইটিস বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শীতকালে (অক্টোবর থেকে মে মাসের মধ্যে) হয়ে থাকে।
  • সংক্রমণ: গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণ (Gastrointestinal infections) যেমন – Amebiasis, Bacterial Gastroenteritis, Mumps, Coxsackievirus B এবং Adenovirus এর ইনফেকশন অ্যাপেন্ডিসাইটিস হওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে তোলে।

বাসায় থেকেই ভার্সিটির ক্লাস করে মেহের। বাবা-মাকে এই বিষয়টা জানানোর প্রয়োজন বোধ করলো সে। মা কে আগেই না জানিয়ে বুদ্ধি করে মেহের অফিসে থাকা বাবাকে ফোন করে ব্যাপাটা খুলে বললো।

মেহেরের বাবা জানালেন অফিস থেকে ফিরে এসে মেহেরকে নিয়ে তিনি ডাক্তারের কাছে যাবেন। মাকেও তিনিই বলবেন যা বলার। কিন্তু অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়া নিয়ে বেশ চিন্তিত মনে হলো মেহেরের বাবাকে। মেহের বললো, “বাবা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়া নিয়ে চিন্তা করো না, আমি যে ওয়েব সাইট থেকে আনুমানিক রোগ বের করার ব্যবস্থা পেয়েছি, সেখান থেকেই ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্টও নেয়া যায়।

তবে কোন ডাক্তারকে দেখালে ভালো হবে আর এই মুহূর্তে কি করা ভালো সেটা জানতে আগে মেহের তার এক ডাক্তার বড় বোনকে ফোন করলো। সংক্ষেপে পুরো বিষয়টা জানানোর পর মেহের বললো, “ আমার কিছু প্রশ্ন ছিলো ? “  বোনের সম্মতি নিয়ে মেহের প্রশ্ন করা শুরু করলো,

আচ্ছা এই অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যাপারটা একটু ভেঙ্গে বলা যায় প্লিজ?

মেহেরের ডাক্তার বোন জবাব দিলো,

অ্যাপেন্ডিসাইটিস কী?

অ্যাপেন্ডিসাইটিস

অ্যাপেন্ডিসাইটিস হল এ্যাপেন্ডিক্সের এক রকম প্রদাহ। একে আসলে জরুরী অবস্থা হিসাবেই বিবেচনা করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই লেপারোটমি (Laparotomy) বা লেপারোস্কপি (Laparoscopy) অপারেশন করে এ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ করা হয়।

সঠিক সময় চিকিৎসা না করালে সমস্যা এমনকি মৃত্যুঝুঁকি পর্যন্ত সৃষ্টি হতে পারে। কারণ অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ফলে পেরিটোনিয়ামের (Peritoneum) যাকে উদরের আবরকঝিল্লীও (Mucous membrane) বলা হয়, তাতে পচন ধরতে পারে।

বিশ্বব্যাপী তীব্র পেটের ব্যাথার সবচেয়ে পরিচিত কারণ হিসেবে এটাকেই দেখা হয়। সাথে আরো একধরনের অ্যাপেন্ডিসাইটিস  রয়েছে, যার তীব্রতা কিছুটা কম একে বলে ” রাম্বলিং অ্যাপেন্ডিক্স” (rumbling appendix)

একটু বিরতি দিয়ে তিনি বললেন, তুই আজই ডাক্তার দেখিয়ে, টেস্টগুলো করিয়ে  চেক করে দেখ আসলে কি হয়েছে।

মেহের এবার দ্বিতীয় প্রশ্ন করলো,

এই রোগের কি কোন আলাদা স্টেজ বা পর্যায় আছে যেটা থেকে জানা যাবে কোন সময় ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিৎ?

উত্তরে ডাক্তার বোন জানালো,

যদি কারো সন্দেহ হয় যে তার অ্যাপেন্ডিসাইটিস আছে তাহলে তার অবিলম্বে জরুরী চিকিৎসা নিতে হবে। যদি চিকিৎসা না করানো হয়, তবে এ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যেতে পারে এবং ব্যাকটেরিয়া পেটের গহ্বরের (Abdominal cavity) মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে পুরো পেট জুড়ে ইনফেকশন ছড়িয়ে পরতে পারে যা পেরিটোনাইটিস নামে পরিচিত। অ্যাপেন্ডিসাইটিস হলে কোনো ব্যথানাশক ঔষধ, এ্যান্টাসিডস, ল্যাক্সাটিভ (Laxatives) বা গরম প্যাড ব্যবহার করা উচিৎ নয়, কারণ এর ফলে এ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যেতে পারে।

উত্তর শুনে কিছুটা চিন্তিত হয়ে পরলো মেহের। তবু আরেকটা প্রশ্ন সে জিজ্ঞাস করলো তার বোন কে।

আচ্ছা অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যাপারে জন্য কোন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে?

উত্তর এলো,

অভিজ্ঞ কোন জেনারেল সার্জনের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়া ভালো হবে। কারণ এই ক্ষেত্রে অপারেশন যেহেতু প্রয়োজন হবে, তাই জেনারেল সার্জনের কাছে যাওয়াই ভালো।

তারপর এনজাইমের ওয়েবসাইট থেকে নিজের কাছাকাছি জায়গায় বসে এমন একজন জেনারেল সার্জনের কাছে সেদিন সন্ধ্যার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নেয় মেহের। বাবার সাথে ডাক্তারের কাছে যেয়ে আলোচনা করে কিছু টেস্ট করায় সে। এরপর রিপোর্ট ডাক্তারকে দেখানোর ব্যবস্থা করে তার পরদিনই।

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের কারনেই এই সমস্যা মেহেরের ডাক্তার নিশ্চিত করে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী দেরি না করে অপারেশনে যাবার ব্যবস্থা করে মেহেরের পরিবার। 

হাসপাতালের বেডে শুয়ে গত কয়েকদিনের কথা ভাবতে ভাবতে তন্দ্রা মতন এসে গিয়েছিলো মেহেরের। ডাক্তার তাকে চেক-আপের জন্যে আসায় চোখ মেলে তাকালো সে। ডাক্তার হাসিমুখে জিজ্ঞাস করলেন এখন কেমন বোধ করছে সে, কোন সমস্যা অনুভব করছে কি না।

মেহের জানে সেদিন বিকেলেই তাকে রিলিজ দিয়ে দেওয়া হবে, তাই ডাক্তারের কাছ থেকে অপারেশন পরবর্তী সময়ের জন্যে কিছু তথ্য জেনে নেয়ার একটা তাগিদ সে অনুভব করলো। তার প্রথম জানতে চাওয়ার বিষয় ছিলো,

অপারেশন হওয়া অ্যাপেন্ডিসাইটিসের রোগী কিভাবে নিজের খেয়াল রাখতে পারবে?

এর উত্তরে ডাক্তার জানান,

রোগীর সুস্থতা নিশ্চিত করতে জানতে হবে কোন ঔষধ গুলো কি পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে। কিছু ব্যথার ঔষধ বা পেইন কিলার, যেমন এসপিরিন যেহেতু রোগীর রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে তাই ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা না করে এই ধরনের ঔষধ গ্রহণ না করাই নিরাপদ।

ইনফেকশন প্রতিরোধ করার জন্য অপারেশনের স্থান সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখতে হবে। নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করতে হবে কিন্তু শ্রমসাধ্য ব্যায়াম সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া পর্যন্ত এড়িয়ে চলতে হবে।

হেলথ টিপস

অপারেশন পরবর্তী ঝুঁকি কিছুটা কমানো যায় কিভাবে সে বিষয়ে ডাক্তার মেহের আর তার পরিবারের অন্যদের সাথে কিছু হেলথ টিপস শেয়ার করলেনঃ

  • কায়িক পরিশ্রম সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া পর্যন্ত এড়িয়ে চলতে হবে। যদি অপারেশন ল্যাপ্রোস্কোপির মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, তাহলে তিন থেকে পাঁচ দিনের জন্য সকল কার্যকলাপ সীমিত রাখতে হবে। যদি Open Appendectomy হয়, তাহলে ১০ থেকে ১৪ দিনের জন্য সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
  • কতদিন পর্যন্ত এই সীমাবদ্ধতা মেনে চলতে হবে এবং কতদিনে স্বাভাবিক কাজকর্ম পুনরায় শুরু করা যাবে সে সম্পর্কে ডাক্তারের কাছ জিজ্ঞাসা করতে হবে।
  • কাশি আসলে তলপেটে চাপ দিতে ধরে নিতে হবে। কাশি, হাসি বা নড়াচড়া করার আগে তলপেটের উপর একটি বালিশ রাখতে হবে এবং চাপ প্রয়োগ করতে হবে যা ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।
  • পেইনকিলার খাওয়া সত্ত্বেও ব্যাথা না কমলে ডাক্তারের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করতে হবে।
  • নিজেকে সুস্থ মনে হলে ধীরে ধীরে দৈনন্দিন কাজকর্ম স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে হবে।
  • ক্লান্ত বোধ করলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে। যেহেতু শরীর সুস্থ হচ্ছে সেহেতু স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী ঘুম বোধ হতে পারে।

সেদিন বিকেলে হাসপাতাল থেকে বাসায় চলে এলো মেহের। পেটের ভেতরের যে ব্যাথাটা এতদিন অস্বস্তি দিচ্ছিলো সেটা কমে গেলেও বেশ কয়েক সপ্তাহ তার লেগে যাবে পুরোপুরি সুস্থ হতে। কিন্তু বড় কোন সমস্যা ছাড়া ভালোয় ভালোয় অপারেশন করিয়ে বাসায় ফিরতে পেরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ল সে। 

স্বাস্থ্য বিষয়ে আমাদের অন্যান্য ব্লগগুলো পড়তে ঘুরে আসুন আমাদের ব্লগসাইটের হোমপেজ থেকে।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস সম্পর্কে আপনার কোনো জিজ্ঞাসা বা পরামর্শ থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুণ ইমেইল, ফেসবুক অথবা ফোন করুণ +০৯৬৩৯০০৬৬২২ নম্বরে।