“বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব বলছে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগে থাকেন বিশ্বের প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ। আর এই সমস্যায় সারা বিশ্বে প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষ প্রতি বছর মারা যায়।“

“বাংলাদেশ জনমিতি স্বাস্থ্য জরিপ ২০১৭-১৮’-এর হিসেব অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি চার জনের একজন উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন।“

ফেসবুকে নিউজফিড দেখতে থাকা রোহানের চোখ আটকে গেল বিবিসি বাংলার লেখা আর্টিকেলের এই দুইটি খবর দেখে। এমন ভাবে সংখ্যা ধরে না বললে শুধু উচ্চ রক্তচাপের (High blood pressure) কথা বলা থাকলে হয়তো রোহান নিজেও এই খবর পড়তো না। কিন্তু এতো বেশি মানুষের মৃত্যুর কারণ এই উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে সেটা রোহানের ধারনাও ছিলো না।

এমনিতে রোহান যে খুব রোগ আর রোগের লক্ষন, কারণ বিষয়ে জ্ঞান রাখে এমনটা নয়। তবে উচ্চ রক্তচাপের (High blood pressure) মতন রোগের বিষয়ে কিছুটা তারও জানা আছে। কারণ তার নিজের বাবা-মা দুইজনেরই হাই ব্লাড প্রেশার সমস্যা রয়েছে। কিন্তু হাই ব্লাডপ্রেশার হলে রেডমিট কম খাওয়া, লবণ কম খাওয়া ধরনের দুই একটা আদেশ উপদেশ বাদে খুব বেশি জরুরী জিনিষ মনে করতে পারলো না রোহান।

শরীরের বাড়তে থাকা মেদ আর নিজের খাওয়া দাওয়ার অনিয়মের ব্যাপারে সূক্ষ্ম একটা চিন্তা দেখা দিলো তার মনে। ঘড়িতে এখন বেলা ১১টা মতন বাজে। কাজের সময় এ নিয়ে খুব বেশি চিন্তা না করে, অবসর সময়ে উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure) বিষয়ে একটু লেখাপড়া করবে ভেবে তখনের মত চিন্তা বাদ দিলো সে।

দুপুরে লাঞ্চের পর একটু অবসর থাকে রোহানের। নিজের একটা ছোট বুটিক হাউজ চালায় সে। দৌড়াদৌড়ির কাজ খুব বেশি হয় না, কারণ পুরোদিন এখানেই থাকা লাগে। ল্যাপটপটা কাছে নিয়ে উচ্চ রক্তচাপের ব্যাপারে ইন্টারনেটে সার্চ করে সে এনজাইম বাংলাদেশ নামের একটা ওয়েব সাইটে খুঁজে পেলো,

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure) কী?

উচ্চ রক্তচাপ

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure) এমন এক সমস্যা যার ফলে হৃৎপিণ্ডের ধমনীতে  রক্তচাপ বেড়ে যায়। একে আর্টারিয়াল হাইপারটেনশনও বলা হয়।

সাধারণত সুস্থদেহের একজন পুর্নবয়স্ক মানুষের সিস্টোলিক রক্তচাপ ১০০-১৪০ মিলিমিটার মার্কারি এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৭০-৯০ মিলিমিটার মার্কারির মাঝে থাকা উচিৎ। কোন ব্যক্তির সিস্টোলিক রক্তচাপ সবসময় ১৪০ মিলিমিটার মার্কারির বেশি এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৭০-৯০ মিলিমিটার মার্কারি বেশি থাকলে তার উচ্চ রক্তচাপ আছে বলে ধরা হয়।

নিজের ব্লাড প্রেসার শেষ কবে মাপিয়েছিলো রোহান, মনে করতে পারছে না। কিন্তু মাঝে মাঝে এই ব্যাপারটা দেখা যা জরুরী সেটা সে বেশ বুঝতে পারছে। উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure) এর কারণ কি হতে পারে? এই ব্যাপারে বাংলায় গোছানো লেখা খুঁজতে যেয়ে এনজাইম নামের বাংলাদেশের একটা ওয়েবসাইট খুঁজে পেলো রোহান। সেখান থেকে উচ্চ রক্তচাপের কারণ পড়তে শুরু করলো সে,

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure) কত ধরনের হতে পারে?

উচ্চ রক্তচাপ মূলত দুই প্রকারঃ

  1. প্রাইমারি (এসেনশিয়াল) হাইপারটেনশন (Primary (essential) hypertension): এই ধরনের উচ্চ রক্তচাপের কোন উল্লেখযোগ্য কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। সময়ের সাথে এ ধরনের হাইপারটেনশন আরও খারাপের দিকে যেতে থাকে।
  2. সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন (Secondary hypertension): কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে শরীরের অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যার কারণে উচ্চ রক্তচাপ হয়ে থাকে। এই ধরনের উচ্চ রক্তচাপ সমস্যাকে সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন বলা হয়। সেই সমস্যা হঠাৎ শুরু হতে পারে এবং প্রাইমারি হাইপারটেনশনের তুলনায় এক্ষেত্রে রক্তচাপ বেশি হবার সম্ভবনা থাকে।

বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা এবং নির্দিষ্ট ধরনের ঔষধ গ্রহণের কারণে সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন হতে পারে। যেমন-

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure) এর কারণসমূহঃ

  • কিডনির সমস্যা
  • অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ড টিউমার
  • থায়রয়েড সমস্যা
  • অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ এপ্নিয়া
  • রক্তনালীতে থাকা জন্মগত ত্রুটি
  • জন্ম নিয়ন্ত্রক পিল, পেইনকিলার, ঠান্ডার ইত্যাদি ঔষধ সেবন করলে
  • বিভিন্ন অবৈধ এবং নিষিদ্ধ ঔষধ/মাদক, যেমন- কোকেন ও এমফেটামিন গ্রহণ করলে
  • অতিরিক্ত মদ্যপান করলে

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure) রোগ অনেকের কোন কারণ ছাড়াই এই রোগ হতে পারে দেখে নিজের ভেতরের অস্বস্তিটা যেন আরো একটু বেড়ে গেলো রোহানের। নিজের অস্বস্তিকে দূর করতেই এই রোগের লক্ষনগুলোর সাথে নিজের কোন সমস্যা মিলে কিনা দেখে নেবার চিন্তা করলো সে।

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure) এর সাধারণ লক্ষণসমূহঃ

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure) রোগের সাধারণ লক্ষণগুলোর মাঝে রয়েছেঃ 

  • বুকের তীক্ষ্ণ ব্যথা
  • মাথা ব্যথা
  • মাথা ঘোরানো
  • ঘাড় ব্যথা করা
  • বমি বমি ভাব হওয়া
  • বমি হওয়া
  • রাতে পরিপূর্ণ ঘুম না হওয়া
  • কানে মাঝে মাঝে শব্দ হচ্ছে মনে হওয়া
  • অন্য কোন কারণ ছাড়া জ্ঞান হারিয়ে ফেলা

মাথা, ঘাড় মাঝে মাঝে ব্যাথা হওয়া, রাতে ভালো ঘুম না হওয়া এই সমস্যাগুলো তার হয়। এই রোগের কারনেই হয় কি না সেটা নিশ্চিত না হলেও এই সমস্যাগুলো অস্বীকার করার উপায় নেই। এমন সময় তার বুটিক হাউজে একজন কাস্টমার এসে ঢুকলো। একেই মনে হয় বলে ভাগ্যের জোর! তার ডাক্তার বন্ধু নিশান এসেছে তার সাথে আড্ডা দিতে !

“কিরে, তোর সব সময়ের একশ ওয়াটের মতন জ্বলতে থাকা চেহারা আজ কেরোসিনের হারিকেনের মতন অন্ধকার হয়ে আছে কেন?”  হাসি মুখে জিজ্ঞাস করলো নিশান। জবাবে রোহান বললো, “তাও যে কেরোসিনের হারিকেন বলেছিস, আমার তো নিজেকে একেবারে লোডশেডিং মনে হচ্ছে।”

“ক্যান কি হয়েছে, শরীর খারাপ না তো?” একটু চিন্তিত গলায় প্রশ্ন নিশানের।

“সেরকম কিছু না, কিন্তু হাই ব্লাড প্রেশার নিয়ে একটু লেখাপড়া করছিলাম, বয়স তো বাড়ছে, আকার আকৃতিতে তো গ্যাস বেলুন হয়ে যাচ্ছি দিন দিন, তাই চিন্তা হচ্ছে আরকি” ধরা গলায় বললো রোহান।

বন্ধুকে চিন্তিত দেখে নিশান জিজ্ঞাস করলো, “আচ্ছা বল কি কি জেনেছিস? দেখি আমিও আরো কিছু আলোচনা করে তোর মুখের অন্ধকার কিছুটা দূর করতে পারি কি না। “

এতোক্ষন যা যা জেনেছে সেগুলো নিশানকে জানালো রোহান। তারপর প্রশ্ন করলো, “এই তথ্যগুলো তো সব ঠিকই আছে তাই না?”। জবাবে মাথা নেড়ে সম্মতি দিলো নিশান। রোহান আরো একটা প্রশ্ন করলো এবার নিশানকে, “তুই আমাকে বল দেখি, কোন কারণে এই উচ্চ রক্তচাপ হবার সম্ভবনা বেড়ে যায়?, তুই উত্তর চিন্তা করতে থাক আমি চা দিতে বলে আসি।“

চা এলো, দুই বন্ধু মুখোমুখি বসে চা খেতে খেতে প্রশ্নের উত্তর আলোচনা করতে লাগলো। নিশান জানালো উচ্চরক্তপের ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলোর মাঝে অন্যতম,

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure) এর ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ঃ

  • প্রয়োজনের তুলনায় কম শারীরিক পরিশ্রম বা শরীরচর্চার অভাবে মানুষের ওজন বেড়ে যায়। এর ফলে হৃদপিণ্ডের অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। সে জন্যে অরিতিক্ত ওজনের মানুষের উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে।
  • চর্বিজাতীয় খাবার খেলে, যেমন — মাংস বিশেষ করে গরু, খাসির মাংস,  মাখন বা ডুবো তেলে ভাজা অন্যান্য খাবার ইত্যাদির কারণে মানুষের মেদ বাড়তে থাকে। আবার কোলেস্টেরল বেড়ে যাবার মতন খাবার যেমন – কলিজা, গুর্দা, মগজ, ডিমের কুসুম এগুলো বেশি খেলে রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের ফলে রক্তনালির দেয়াল মোটা ও শক্ত হয়ে যেতে পারে। এর জন্যেও রক্তচাপ বাড়তে পারে।
  • খাবার লবণে সোডিয়াম থাকে, যা রক্তের জলীয় অংশ বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তের আয়তন ও চাপ বেড়ে যায়।
  • খাবারে লবণের (সোডিয়াম) পরিমাণ বেশি থাকলে বা আলাদা করে অধিক পরিমাণ লবণ গ্রহণ করলেও রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। কারণ, খাবার লবণে সোডিয়াম থাকে, যা রক্তের জলীয় অংশের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ফলে রক্তের আয়তন ও চাপ বেড়ে যায়।
  • অধিক মাত্রার ইমোশন যেমন- অতিরিক্ত রাগ, উত্তেজনা, ভীতি বা মানসিক চাপের ফলে রক্তচাপ সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। সময়ের সাথে এই মানসিক চাপ যদি চলতে থাকে এবং আক্রান্ত ব্যক্তি এর সাথে খাপ না খাওয়াতে পারে, তাহলে উচ্চ রক্তচাপ সমস্যা স্থায়ী হয়ে যাবার সম্ভবনা থাকে।

তাছাড়া,

  • ডায়াবেটিস রোগীদের এই রোগের সম্ভবনা থাকে।
  • খাবারে পটাসিয়ামের পরিমাণ কম থাকলে।
  • ধূমপান, মদ্যপানের মতন অভ্যাস থাকলে।

এতোক্ষন চুপচাপ প্রশ্নের উত্তর শুনছিল রোহান। নিশান থামতে তার দিকে তাকিয়ে রোহান বলে উঠলো, “বেশ চিন্তার বিষয় দেখা যাচ্ছে, তুই তো জানিস আমি ভোজন রসিক মানুষ, ব্যায়াম করার আশপাশ দিয়ে কোন দিন যাই না বলেই তো শরীরের এই বেলুনের মতন অবস্থা। আচ্ছা এই উচ্চ রক্তচাপের কারণে যদি কেউ চিকিৎসা না করায়, তাহলে তার শরীরের অন্য কি সমস্যা দেখা দিতে পারে?”

নিশান চায়ের কাপে বড় করে চুমুক দিয়ে উত্তর দিলো,

উচ্চ রক্তচাপ নিজেই বেশ বড় সমস্যা। অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের কোনো প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যায় না বলে নীরবে এই রোগ শরীরের অনেক কিছুর ক্ষতি করতে পারে। এ জন্যই এ রোগকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা যায়। সেই সাথে

  • হৃদরোগ (Heart disease)
  • কিডনির সমস্যা  (Kidney disease)
  • এনিউরিজম (ধমনীর) কোন নির্দিষ্ট স্থানে অস্বাভাবিক ফুলে যাওয়া (Increased risk of aneurysms)
  • চোখের ক্ষতি (Eye damage)
  • স্ট্রোক (Stroke) হবার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

“ভয়াবহ অবস্থা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু উচ্চ রক্তচাপ যাতে না হয় অথবা হলে যাতে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এর জন্যে কিছু হেলথ টিপস বল?” বললো রোহান।

নিশান বললো,

হেলথ টিপসঃ

  • ওজন সবসময় নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
  • হাঁটা, খেলাধুলা এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
  • শরীরে যেন অতিরিক্ত মেদ না জমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • অতিরিক্ত লবণ খাওয়া বন্ধ করতে হবে।
  • ধূমপান অথবা মদ্যপান থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলে মন হালকা রাখার চেষ্টা করতে হবে।
  • পরিমিত সময় ধরে ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে।
  • রসুন খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
  • বিভিন্ন রকমের মাছের তেল যেমন – স্যামন ও ম্যাকারেলের তেল খাওয়া যেতে পারে।

উত্তরের শেষে নিশান যোগ করলো, বেশ তো চিন্তায় পরেছিস দেখা যাচ্ছে। ঠিক মতন মেনে চলিস যেগুলো তোর জন্যে করা দরকার।

কিছুক্ষন গুম হয়ে বসে থেকে চিন্তা করে শেষ বললো রোহান। “খাবারের দিকেই কাটছাঁট আনা লাগবে দেখছি, শারীরিক পরিশ্রমের বিষয়টা শুরু করে দিবো সমস্যা হবে না। বল দেখি, এ রোগ কমানোর জন্যে খাদ্যাভ্যাসে কি ধরনের পরিবর্তন আনা উচিৎ?”  

নিশান বেশ বুঝতে পারলো তার বন্ধু সিরিয়াস ভাবেই খাওয়া কমানোর কথা ভাবছে। তাই এই বিষয়ে কোন কৌতুক না করে সিরিয়াস ভাবেই উত্তর দিলো নিশান।

যদিও ব্যক্তি বিশেষে খাদ্যাভ্যাসের তালিকা বদলাতে পারে কিন্তু

সাধারণত যে বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আনা জরুরী সেগুলো বলছিঃ

  • ক্যাফেইন গ্রহনের পরিমাণ কমাতে হবে।
  • খাদ্যে লবণ গ্রহণ কমিয়ে আনতে হবে বা বন্ধ করতে হবে।
  • পটাসিয়াম যুক্ত খাবার খেওয়ার অভ্যাস হবে।
  • চর্বি যুক্ত খাবার, ডুবো তেলে ভাজা খাবার কমিয়ে ফেলতে হবে।
  • ধূমপান এবং মদ্যপান এড়িয়ে যেতে হবে।
  • নিয়মত পরীক্ষার মাধ্যমে এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

সব শুনে রিফাত জানালো, যদিও তার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নেই বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু তারপরও সে যেহেতু উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকির মাঝে আছে তাই এখন থেকে সে নিয়মিত ব্যায়াম করার সেই সাথে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের চেষ্টা করবে।

স্বাস্থ্য বিষয়ে আমাদের অন্যান্য ব্লগগুলো পড়তে ঘুরে আসুন আমাদের ব্লগসাইটের হোমপেজ থেকে।  

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure) সম্পর্কে আপনার কোনো জিজ্ঞাসা বা পরামর্শ থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুণ ইমেইল, ফেসবুক অথবা ফোন করুণ +০৯৬৩৯০০৬৬২২ নম্বরে।