কী একটা বলতে যাবে রিহাম তাকে থামিয়ে, রিহাম আর মোহাম্মদ আবিদকে অবাক করে দিয়ে ডাক্তার সাহেব বলা শুরু করলেনঃ

·         অস্বাভাবিক নড়াচড়া (Abnormal involuntary movements)

·         নড়াচড়া করতে সমস্যা হওয়া (Problems with movement)

·         স্মৃতিশক্তির সমস্যা (Disturbance of Memory)

·         মাথা ধরা (Dizziness)

·         দুর্বলতা (Weakness)

·         সারা শরীর শক্ত হয়ে যাওয়া (Stiffness all over)

·         পায়ে দুর্বলতা অনুভব করা (Leg weakness)

·         আংশিক দুর্বলতা (Focal weakness)

·         মাংসেপশী শক্ত হয়ে যাওয়া (Muscle stiffness or tightness)

·         কথা বলতে কষ্ট হওয়া (Difficulty speaking)

·         পায়ের মাংসেপশী শক্ত হয়ে যাওয়া (Leg stiffness or tightness)

·         ভয় এবং আতংক (Fears and phobias)

–       এগুলো সবই লক্ষণ হিসেবে আপনার মধ্যে আছে নাকি কোনোটা বাদ গিয়েছে?

–       কাকু অবাক হয়ে ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে রইলেন। রিহামও কিছুটা অবাক হয়েছে।

–       আছে আরও কোনো লক্ষণ নাকি এগুলোই?

কাকু অবাক দৃষ্টি রেখেই বললেন,

–       না, এগুলোই। কিছু আপনি জানলেন কিভাবে?

–       আপনার পারকিনসন্স হয়েছে। আপনার কাঁধ নড়া দেখেই বুঝতে পেরেছিলাম। এইমাত্র যা বললাম তা পারকিনসনের কমন লক্ষণ।

ঘটনা বুঝতে হলে একটু পেছনে ফিরে তাকাতে হবে।

বড় কাকু মোহাম্মদ আবিদের মধ্যে রিহাম কদিন যাবতই একটা জিনিস লক্ষ্য করছে। কিছুক্ষণ পরপরই ডান কাধটা কেমন যেন নড়ে উঠছে। প্রথম প্রথম ভেবেছিল হয়ত ইচ্ছে করেই করে কোনো কারণে। কিন্তু ধীরে ধীরে নড়ার পরিমাণ বাড়ছিল এবং দৃষ্টিকটু অবস্থার দিকে যাওয়াও কাকুর সাথে ও বাধ্য হয়ে কথাও বলেছে। সে হতাশভাবে বলেছে যে এটা সে ইচ্ছা করে করছে না। সে এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না যখন হয়। তাকে খুব লজ্জিত লাগছিল। বেশ খারাপ লাগলো রিহামের।

কাকু রিহামদের পাশের বাড়িতেই থাকে। রিহাম ছাড়া বাকি সবাই এটাকে হাস্যকর ব্যাপার হিসেবেই নিচ্ছিল। কাকু এমন করলেই সবাই মুখ টিপে হাসে। অথচ রিহাম নিশ্চিত যে এটা কোনো শারীরিক সমস্যা। ভাবলো কাকুকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। কিন্তু ও নিশ্চিত হতে পারছিল না কোন ডাক্তারের কাছে যাবে এই সমস্যা নিয়ে।

Enzaime Symptom Checker এর কথা ফেইসবুকে অ্যাডে আগে জেনেছিল। ভাবলো একটু চেক করেই দেখা যাক। Enzaime দাবি করছে সে তাদের এই টুলে লক্ষণ ইনপুট দিলে কী রোগ হয়েছে সে বিষয়ে সম্ভাব্য নির্ণয় তারা করতে পারে। Enzaime Patient Care অ্যাপটা নামিয়ে Enzaime Symptom Checker-এ কাকুর উপসর্গগুলো দিয়ে রিহাম দেখলো যে বেশ কিছু রোগের কথা এসেছে তবে সেখানে সর্বোচ্চ সম্ভাবনার কথা বলছে পারকিনসন্স ডিজিজের। এটা নাকি স্নায়ুতন্ত্রজনিত সমস্যা। অবাক হয়ে লক্ষ্য করলো রিহাম যে সম্ভাব্য রোগ সম্পর্কে জানানোর পাশাপাশি সেখানেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়ার জন্য বেশ কিছু নিউরোলজিস্টের তালিকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে দিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশে এমন অত্যাধুনিক সুবিধা পেয়ে রিহাম কিছু বিস্মিতই হল বলা যায়।

যাই হোক, বিকাশে ভিজিটিং ফি দিয়ে এখান থেকেই রিহাম একজন অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ নিউরোলজিস্টের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নিল।

নির্ধারিত দিনে চেম্বারে যেয়ে কিছু সময় বসে থাকতে হলো। একজন ইমার্জেন্সি রোগী চলে আসার রিহামদের সিরিয়াল আগে থাকলেও বসে থাকতে হল বাধ্য হয়েই। নির্ধারিত সময়ের প্রায় আধা ঘন্টা পরে তাদের ডাক পড়লো ভেতরে।

চেম্বারে ঢুকে সালাম দিয়ে বসলো রিহাম কাকুকে নিয়ে। ডাঃ রুহুল আমিন। নিউরোলজিতে বাঙলাদেশের অন্যতম প্রধান বিশেষজ্ঞ বলা হয় তাকে। বয়স্ক মানুষ ৬৫ থেকে ৭০-এর মধ্যে হবে বয়স। টকটকে গায়ের রঙ। চোখে চশমা। খুব মনোযোগ দিয়ে রিহামের কাকুকে দেখছিলেন। কাকুকে বলতে কাকুর কাঁধ নড়ে যাওয়া দেখছিলেন।

এরপরেই গড়গড় করে ডাক্তার রুহুল আমিন কাকুর রোগের লক্ষণগুলো বলে গেলেন।

–       ডাক্তার সাহেব, এই রোগটা সম্পর্কে একটু জানতে চাচ্ছিলাম। কখনও শুনিনি এটা সম্পর্কে।

ডাক্তার সাহেব বলতে থাকলেন,

–       পারকিনসন্স ডিজিজ স্নায়ুতন্ত্রের একটি ব্যাধি, যা শরীরের স্বাভাবিক নড়াচড়া করার ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক হাতে সামান্য কাঁপুনি সৃষ্টির মধ্য দিয়ে এই ব্যাধির সূত্রপাত ঘটে। তবে কাঁপুনি পারকিনসন্স ডিজিজের প্রধান লক্ষণ হলেও এর ফলে শরীরে অনমনীয়তা দেখা দেয় এবং শরীরের স্বাভাবিক নড়াচড়া ধীর হয়ে যায়।

পারকিনসন্স ডিজিজের প্রাথমিক পর্যায়গুলোতে আক্রান্ত ব্যক্তির মুখমণ্ডলে অভিব্যক্তি কম প্রকাশ পায় বা একেবারেই প্রকাশ পায় না। হাঁটার সময় এই ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তির হাত ঠিকমতো দোলে না। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির কথাও বেধে যেতে পারে। পারকিনসন্স ডিজিজের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলে লক্ষণগুলোও আরও তীব্র হতে থাকে।

পারকিনসন্স ডিজিজের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে এর লক্ষণগুলোকে প্রশমিত করা যায়। কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির মস্তিষ্কের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করে লক্ষণগুলো প্রশমিত করার জন্য সার্জারিও  করা হয়।

–       পারকিনসন্স ডিজিজ কেন হয় ডাক্তার সাহেব?

পারকিনসন্স ডিজিজের কারণ

পারকিনসন্স ডিজিজের সঠিক কারণ এখনো অজানা, তবে এই রোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ের প্রভাব রয়েছে বলে ধারণা করা হয়, যেমনঃ

·         জিন: গবেষকরা সুনির্দিষ্ট কিছু জিনের পরিবর্তন চিহ্নিত করেছেন (Genetic Mutations) যেগুলো পারকিনসন্স ডিজিজের কারণ হতে পারে। তবে একই পরিবারের বেশ কিছু সংখ্যক ব্যক্তি পারকিনসন্স ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত এই ধারণাটি অন্য কোনো ক্ষেত্রে তেমন প্রযোজ্য  নয়।

·         সুনির্দিষ্ট জিন ছাড়াও অন্যান্য জিনগত পরিবর্তনও পারকিনসন্স ডিজিজের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তবে এই ঝুঁকির মাত্রা খুব বেশি নয়।

·         পরিবেশগত প্রভাবক: কিছু বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শ এবং পরিবেশগত বিষয় পারকিনসন্স ডিজিজের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে এই ঝুঁকিও বেশি মাত্রার নয়।

·         লিউই বডিজের ( Lewy bodies) উপস্থিতি: মস্তিষ্কের কোষের মধ্যে গুচ্ছাকারে থাকা উপাদান পারকিনসন্স ডিজিজের নির্দেশক। এগুলোকে লিউই বডিজ বলে। গবেষকরা ধারণা করেন যে এগুলোর সাথে পারকিনসন্স ডিজিজের কারণ রয়েছে।

পারকিনসন্স ডিজিজের ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

ডাক্তার সাহেব বলে চললেন। কিছু কিছু বিষয় পারকিনসন্স ডিজিজের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে:

·         বয়স: তরুণরা পারকিনসন্স ডিজিজে কম আক্রান্ত হয়। সাধারণত মধ্যবয়স্ক বা তার চেয়েও বেশি বয়সের ব্যক্তিদের এই রোগ হয়ে থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

·         বংশ: আপনার কোনো নিকটাত্মীয়ের পারকিনসন্স ডিজিজ থাকলে আপনার এই ব্যাধি হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। তবে আপনার বহু সংখ্যক আত্মীয় এতে আক্রান্ত না হলে আপনার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

·         লিঙ্গ: মহিলাদের তুলনায় পুরুষরা পারকিনসন্স ডিজিজে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

·         বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শ: হারবিসাইডস/আগাছানাশক ( Herbicides) এবং পেস্টিসাইডস/কীটনাশক (Pesticides) এর সংস্পর্শে গেলে পারকিনসন্স ডিজিজ হওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পায়।

রিহাম জিজ্ঞেস করলো,

–       পারকিনসন্স ডিজিজ কি প্রতিরোধ করা সম্ভব ?

–       কিছু জিনগত বিষয় ও পরিবেশগত প্রভাবক পারকিনসন্স ডিজিজ সৃষ্টির ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। তবে যেহেতু এই ব্যাধির সঠিক কারণ এখনও অজানা, তাই তা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।

–       পারকিনসন্স ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তির কি কি সমস্যা হতে পারে ?

–       পারকিনসন্স ডিজিজের লক্ষণের মাত্রা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। রোগটি ঠিক কতো দ্রুত বৃদ্ধি পাবে, তাও সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়। পারকিনসন্স ডিজিজ প্রাণনাশক কোনো রোগ নয়। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনকাল স্বাভাবিক জীবনকালের মতোই হয়ে থাকে। তবে পারকিনসন্স ডিজিজের কারণে সৃষ্ট অন্যান্য সমস্যার (যেমন- নিউমোনিয়া, পড়ে যাওয়ার কারণে আঘাত পাওয়া এবং বিষম খাওয়া) জন্য মৃত্যু হতে পারে। চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগের  কিছু লক্ষণের মাত্রা কমিয়ে রাখা সম্ভব। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তি সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে দীর্ঘ দিন বেঁচে থাকতে পারেন।

–       পারকিনসন্স ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তি কি উপায়ে রোগটি দ্বারা সৃষ্ট সমস্যার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন ?

–       যদিও পারকিনসন্স ডিজিজ খুব ধীরে বৃদ্ধি পায়, তবুও রোগটিতে আক্রান্ত ব্যক্তির জীবনের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। পর্যায়ক্রমে শরীরের স্বাভাবিক নড়াচড়ার ক্ষমতা হ্রাস পাওয়াকে মেনে নেওয়া  আক্রান্ত ব্যক্তির পক্ষে খুব কঠিন হতে পারে। তবে আক্রান্ত ব্যক্তিকে রোগটি সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে। ভবিষ্যতে রোগটির কারণে কী  হতে পারে, তা জানলে আক্রান্ত ব্যক্তির দুশ্চিন্তা অনেকাংশে কমে যেতে পারে।

–       কাকুর চিকিৎসার বিষয়ে কী করা যাবে তাহলে?

–       আমি ঔষধ লিখে দিচ্ছি। এগুলো সব সময় কন্টিনিউ করতে হবে। এক মাস পরে আবার আসবেন একটা ফলো আপের জন্য।

–       জ্বি আচ্ছা। কোনো পরামর্শ কি দেবেন ডাক্তার সাহেব যেগুলো হয়ত মেনে চললে ভালো হবে?

হেলথ টিপস্‌

–       হ্যা। যেগুলো এখন বলবো সেগুলো মেনে চলবেন:

শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা: পারকিনসন্স ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। পারকিনসন্স ডিজিজের  মাত্রা বৃদ্ধি পেলে এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে খাবার চাবানোর সময়েও বেশ পরিশ্রম করতে হয়। তাছাড়া ক্রমাগত ওজন কমতে থাকলে তা স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলবে। তাই আক্রান্ত ব্যক্তির পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। এমন পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন, যা খেতে আপনাকে খুব বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে হয় না।

ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীর নমনীয় রাখুন: পারকিনসন্স ডিজিজের কারণে শরীরের কিছু কিছু অংশের স্বাভাবিক নড়াচড়া ব্যাহত হয়। তবে ব্যায়াম করার মাধ্যমে আপনি কিছুটা হলেও এই সমস্যা কমাতে পারবেন। ব্যায়াম করার সময় শরীরের নমনীয়তা বৃদ্ধির উপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে, শক্তি বৃদ্ধির উপরে নয়।

হাঁটার সময় লাঠি ব্যবহার: পারকিনসন্স ডিজেজের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলে হাঁটার সময় আপনি ভারসাম্যহীন হয়ে পড়তে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করা আপনার জন্য নিরাপদ নয়। এজন্য হাঁটার সময় লাঠি ব্যবহার করুন।

স্মৃতিশক্তির ব্যাপারে সতর্ক হওয়া: পারকিনসন্স ডিজিজ বা বয়সজনিত কারণে এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া এই রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ঔষধের [যেমন- বেঞ্জট্রোপিন (benztropine) এবং ট্রাইহেক্সিফেনিডাইল (trihexyphenidyl)] কারণেও স্মৃতিশক্তি প্রভাবিত হতে পারে। আপনি এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

–       ধন্যবাদ ডাক্তার সাহেব। একমাস পরে তাহলে আমরা আবার আসবো।

–       জ্বি আপনাকেও ধন্যনাদ। আপনি চাইলে টেলিমডিসিন সেবাও নিতে পারে।

–       তাহলে খুবই ভালো হয় আমাদের জন্য। কিভাবে করবো সেটা?

–       একই অ্যাপ থেকে ভিডিও কনসালটেশনের জন্য আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিলেই হবে।

–       ও, থ্যাংক ইউ। আমি সেটাই করবো তাহলে। আজকে আসবি তাহলে।

–       ইউ আর ওয়েলকাম। জ্বি আসুন।

রিহাম ওর কাকুকে ভালো করে ধরে বাইরে এসে সিএনজিতে করে বাড়ির দিকে রওনা দিলো।



স্বাস্থ্য সম্পর্কিত এনজাইমের এই ধরণের আরও ব্লগ পড়ার জন্য ক্লিক করুন এখানে