“দেখেন আবার আলসার বাধালেন কি না” এইটুকু বলে রিফাতের মেস পার্টনার ঘর থেকে বের হয়ে গেলো। এমনিতে বেশ কিছু দিন ধরেই শরীরটা ভালো যাচ্ছে না রিফাতের। এ নিয়ে বেশ চিন্তায়ও আছে সে। তার এই শারীরিক পরিস্থিতি দেখেই উপরের উক্তিটি করে রিফাতের মেস পার্টনার।

ঢাকায় ফ্ল্যাট মেসে আর দুইজনের সাথে থাকে রিফাত। চাকুরি করে ছোট একটা বেসরকারি ফার্মে। একা মানুষ যেহেতু খাওয়া দাওয়ার অনিয়ম হয় সব সময়ই। কিন্তু সেদিকে নজর দেয়ার আসলে খুব বেশি সময় পায় না রিফাত। অফিসের কাজের পাশাপাশি মাস্টার্সের লেখাপড়াও করতে হয় তাকে। সে কারণে মানসিক চাপের মাঝেও থাকে সবসময়ই।

অফিসের কাজ, লেখাপড়া আর ঘরের টুকটাক কাজ করে বিশ্রাম হচ্ছিলো না একেবারেই। তারপরও সব মিলিয়ে ভালোই সামলে চলছিলো সে। বাজে অভ্যাস বলতে ধূমপানের সমস্যা আছে তার। এ ছাড়া সব দিক দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ার মতন উদ্দ্যমী মানুষই বলা যায় তাকে। তবে গত কয়েকদিন ধরে শরীরের কিছু সমস্যা তাকে বেশ ঝামেলা করছে। বুক জ্বালা (Heartburn) করা, পেটের জ্বালাপোড়াসহ ব্যথা (Burning abdominal pain) আর বমি বমি ভাব (Nausea) সমস্যাগুলো বাড়ছে বলে মনে হচ্ছে তার কাছে। এতো দিন পর্যন্ত তাও টেনেটুনে সামলে চলছিলো সে কিন্তু আজ সকালে মলের সাথে রক্ত যাওয়া (Blood in stool) শুরু হওয়ায় কেমন একটু ভয় লাগা শুরু হয়েছে তার।

চিন্তিত মুখে বাসা থেকে বের হয়ে অফিসের দিকে রওনা হলো সে। যাবার পথে বাসার এলাকায় একটা ফার্মেসি পরে। সেখানে একজন ডাক্তার বসেন। সকালবেলা যদিও তাকে পাওয়া যাবে কি না জানে না সে ,তারপরও রিফাত ভাবলো ডাক্তার সাহেবকে পাওয়া গেলে তার সমস্যাগুলোর কথা জিজ্ঞাস করবে।

ভাগ্য এদিক থেকে ভালোই বলতে হবে রিফাতের ডাক্তার জলিল ফারমেসিতেই ছিলেন তখন। অনেক দিন ধরেই রিফাতকে চেনেন তিনি। সকাল সকাল বিধ্বস্ত চেহারা নিয়ে রিফাতকে ফারমেসিতে ঢুকতে দেখে তিনি বুঝলেন নিশ্চই কোন সমস্যায় আছে ছেলেটা। “এমন চেহারা হয়েছে কিভাবে? শরীর খারাপ নাকি?”  জিজ্ঞাস করলেন ডাঃ জলিল। রিফাত বললো “জী ডাক্তার সাহেব। শরীরটা আজ কয়দিন ধরে তেমন ভালো যাচ্ছে না।“ এটুকু বলে সে তার শারীরিক সমস্যাগুলো ডাক্তারকে খুলে বললো। ডাঃ জলিল মনোযোগ দিয়ে পুরো ব্যাপারটা শুনে বললেন তিনিও রিফাতের মনের সন্দেহটাই যেন আবার মুখে জানালেন, “মনে তো হচ্ছে আলসার (ulcer) সমস্যা বাধিয়েছো।  ভালো একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট (Gastroenterologist) দেখাও। দেরী করো না এ বিষয়ে।“

পেপটিক আলসার (peptic ulcer)
পেপটিক আলসার (peptic ulcer)

ডাঃ জলিলের কথাগুলো চিন্তা করতে করতে অফিসে এসে  পৌছালো সে। এখনো অফিস আওয়ার শুরু হতে বেশ কিছুটা সময় বাকি আছে। কিন্তু নিজের ডেস্কে যেয়ে বসে ল্যাপটপ চালু করে নিলো সে। আলসার ব্যাপারে তার আবছা ধারনা থাকলেও এ ব্যাপারে খুব বিস্তারিত আসলে জানে না সে। ডাক্তার দেখাতে হলে আগে এই বিষয়ে কিছুটা জানা থাকা তো ভালো। গুগলে সার্চ করে এই বিষয়ে পড়ার মতন লেখা খুঁজতেই রিফাত একটা ভালো বাংলাদেশী ওয়েবসাইট দেখতে পেলো। এনজাইম নামের এই ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে এ ব্যাপারে বেশ গোছানো লেখা আছে।

পেপটিক আলসার কী ?

পেপটিক আলসার (peptic ulcer)

পেপটিক আলসার পাকস্থলী (Stomach) ও পরিপাক নালীর (Digestive tract) বহুল পরিচিত একটি রোগ যা পরিপাক নালী বা পাকস্থলীর ভিতরের আবরণের (mucosa) ক্ষত সৃষ্টি হয়ে বৃদ্ধি পাবার ফলে সৃষ্টি হয়। ৭০-৯০ ভাগ ক্ষেত্রে পাকস্থলীর অম্লীয় পরিবেশে (acidic environment) অবস্থিত স্ক্রুর ন্যায় প্যাঁচানো (helical shaped) হেলিকোব্যাক্টর পাইলরি (helicobecter pylori) নামের একধরনের ব্যাক্টেরিয়ার কারণে এই রোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে।

পেপটিক আলসার (peptic ulcer) রোগ পি-ইউ-ডি (PUD) এবং পেপটিক আলসার (peptic ulcer) ডিজিজ নামেও পরিচিত।

পেপটক আলসার শব্দটার সাথে কিছুটা পরিচিত রিফাত। তার বাবাকে এই সমস্যায় ভুগতে দেখেছে সে। এর নিচে আর কি লেখা আছে সেটা এবার পড়ে নিলো রিফাত। তিন ধরনের আলসারের কথা উল্লেখ করা দেখা যাচ্ছে সেখানে।

পেপটিক আলসার (peptic ulcer) এর প্রকারভেদ:

  1. গ্যাস্ট্রিক আলসার (Gastric ulcer) – এই সমস্যা মূলত পাকস্থলীর অভ্যন্তরে হয়ে থাকে।
  2. খাদ্য নালীর বা ইসোফেজিয়াল আলসার (Esophageal ulcers) – এই সমস্যা গলা থেকে পাকস্থলীতে খাদ্য বহনকারী ফাঁপা নালীর মধ্যে হয়ে থাকে।
  3. ডিওডেনাল আলসার (Duodenal ulcer) – এই সমস্যা সাধারণত ক্ষুদ্রান্ত্রের (Diodenum) উপরিভাগে হয়ে থাকে।

প্রচলিত আছে, মসলাযুক্ত খাবার খেলে বা মানসিক চাপ সৃষ্টি করে এমন কাজ করলে পেপটিক আলসার হতে পারে। কিন্তু এই ধারনার সরাসরি কোন ভিত্তি পাওয়া যায় না। চিকিৎসা বিজ্ঞানের হিসেবে, এই আলসার ব্যাক্টেরিয়াঘটিত ইনফেকশনের কারণে হয়ে থাকে।

এটুকু পরে আবারো একটু কনফিউজ হয়ে পরলো রিফাত। আসলে সেও জানতো ওই ঝাল মসলাযুক্ত খাবার, মানসিক চাপ এগুলোর জন্যেই আলসার বা এ ধরনের সমস্যা হয়। যদি সেটা না হয় তাহলে কি কারণে পেপটিক আলসার (peptic ulcer) হতে পারে সেটা জানার আগ্রহ বোধ করতে থাকলো সে।

এনজাইমের ওয়েবসাইটে থাকা রোগের ডাইরেক্টরীতে যে তথ্য আছে সেখানেই এই রোগের কারনের ব্যাখাও লেখা আছে। তাই সেটাই পড়তে আরম্ভ করলো রিফাত।

পেপটিক আলসার (peptic ulcer) হবার সাধারণ কারণসমূহঃ

  • পরিপাকতন্ত্রে (Digestive system) খাবার হজমে সাহায্য করার জন্যে সৃষ্টি হওয়া এ্সিড যখন খাদ্যনালী, পাকস্থলী এবং ক্ষুদ্রান্ত্রের ভেতরের দোয়ালের স্তর ক্ষতিগ্রস্ত করে তাকে পেপটিক আলসার বলা হয়।
  • মিউকাস স্তর (Mucus layer) পাকস্থলি এবং ক্ষুদ্রান্ত্রের টিস্যুকে আবৃত করে রাখে এবং সুরক্ষা প্রদান করে। এই মিউকাসের স্তর আমাদেরকে হজমে সাহায্যকারী এসিড থেকে রক্ষা করে। কিন্তু কোন কারণে যদি এসিডের পরিমাণ বেড়ে যায় অথবা মিউকাসের পরিমাণ কমে যায় তাহলে আলসার সমস্যা বেড়ে পেতে পারে।
  • আলসার সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া হেলিকোব্যাক্টার পাইলরি (helicobecter pylori) মিউকাস স্তরে থাকে থাকে। এই ব্যাক্টেরিয়া কিভাবে বিস্তার লাভ করে সে ব্যাপারে এখন পর্যন্ত এটা এখনও পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি। তবে ধারনা করা হয় এই ব্যাক্টেরিয়া খাবার, পানি এমন কি চুম্বনের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে।
  • যারা নিয়মিত ব্যথা কমানোর ঔষধ খেয়ে থাকেন অথবা যারা অস্টিওআর্থ্রাইটিসের (Osteoarthritis) চিকিৎসা নিয়ে থাকেন তাদের পেপটিক আলসার হবার সম্ভবনা বেশিথাকে।

হাতে আরো মিনিট দশেক সময় আছে রিফাতের। তাই এই আলসার বিষয়ই আরো একটু জানার জন্যে ইন্টারনেট ঘেঁটে কিছু তথ্য জানতে পারলো সে।

হেলিকোব্যাক্টার পাইলরি ইনফেকশন কাদের বেশি হয়? কি জন্যে হয় ? এ বিষয়ে একটা তথ্য পেলো সে।

হেলিকোব্যাক্টার পাইলরি ইনফেকশনের আক্রান্ত হবার সম্ভবনা মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং সময়ের সাথে সম্পর্কিত। নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে এই ধরনের ইনফেকশনের আক্রান্ত হবার সম্ভবনা বেশি দেখা যায় । উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের মাঝেই ইনফেকশনে আক্রান্ত হবার হার বেশি দেখা যায়। সে তুলনায় উন্নত দেশগুলোতে হেলিকোব্যাক্টার পাইলরিতে আক্রান্ত রোগীর অনুপাত অনেকাংশে কমে গেছে।  

ব্যাকটেরিয়ার কারণে এই সমস্যা হতে পারে সেটা দেখে কপালে চিন্তার ভাঁজ পরলো রিফাতের। এই সমস্যা আসলেই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ না করে সমাধান করার উপায় নেই সেটা বেশ বুঝতে পারলো। এনজাইমের ওয়েব সাইট থেকে স্পেসালিটি অনুযায়ী ডাক্তারের কাছে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে, সেটা রিফাত প্রথমেই দেখেছিলো। সেখান থেকে অনলাইনে টেলিমেডিসিন চিকিৎসা নেয়ার জন্যে একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের কাছে সন্ধ্যার অ্যাপইয়েন্টমেন্ট নিলো সে। অনলাইনেই পেমেন্ট সেরে ফেলা গেলো বলে কোন ঝামেলাই রইলো না।

অফিসে বাকি সময়টায় ব্যাথা থাকলেও কাজের ব্যস্ততায় আর ছোটাছুটিতে পার হয়ে গেলো রিফাতের। অফিস সেরে বাসায় ফিরতেই দেখলো এনজাইম থেকে এস.এম.এস এসেছে ডাক্তারের সাথে কনফারেন্স কলে জয়েন করতে। এনজাইমের পেশেন্ট কেয়ার অ্যাপ অফিসে থাকতেই ফোনে ডাউনলোড করে রেখেছিলো রিফাত। তাই কোন ঝামেলা ছাড়াই সহজে ডাক্তারের সাথে ভিডিও কলে চলে যেতে পারলো সে।

প্রাথমিক কথার পর ডাক্তার তাকে জিজ্ঞাস করলেন কি কি লক্ষন সে নিজের মধ্যে দেখছে। ডাক্তার একে একে পয়েন্ট আকারে পেপটিক আলসারের কিছু লক্ষন বলে গেলেন। রিফাত সেখান থেকে যেটা যেটা তার হচ্ছে জানালো।

পেপটিক আলসার (peptic ulcer) এর লক্ষনসমূহঃ

  • পেটে তীক্ষ্ণ ব্যথা (Sharp abdominal pain)
  • বমি (Vomiting) বা বমি বমি ভাব (Nausea)             
  • পেটের জ্বালাপোড়াসহ ব্যথা (Burning abdominal pain)
  • রক্তবমি (Vomiting blood)
  • বুকের তীক্ষ্ণ ব্যথা (Sharp chest pain)        
  • মাথা ব্যথা(Headache)
  • মলের সাথে রক্ত যাওয়া (Blood in stool)  
  • মল দেখতে অস্বাভাবিক লাগা (Changes in stool appearance)
  • বুক জ্বালা (Heartburn)  

এবার ডাক্তার তার দৈনিক কাজ, খাবার আর অভ্যাসের ব্যাপারে কিছু আনুসাঙ্গিক প্রশ্ন করে সে অনুযায়ী প্রেসক্রিপশন করতে শুরু করলেন। প্রেসক্রিপশন লেখার ফাঁকে তিনি জানালেন, কিছু টেস্ট করিয়ে তাঁকে দেখালে তিনি বলতে পারবেন আসলে রিফাতের কি হয়েছে।

রিফাত তখন ডাক্তারকে জিজ্ঞাস করলো,

স্যার, আমার একটা প্রশ্ন ছিলো। যদি আমাকে একটু এর উত্তর জানাতেন খুব ভালো হতো।

ডাক্তারের সম্মতি নিয়ে সে প্রশ্ন করলো।

হেলিকোব্যাক্টার পাইলরি ইনফেকশনের লক্ষন গুলো কি হতে পারে?

ডাক্তার জানালেন,

যদিও রোগী ভেদে লক্ষন পরিবর্তিত হতে পারে। হেলিকোব্যাক্টর পাইলরি ইনফেকশনের লক্ষণ মূলত দেখা যায় যখন পাকস্থলি এবং ডিওডেনামের গায়ে ক্ষত সৃষ্টি হলে, রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে রক্ত ক্ষরণ হলে এবং পাকস্থলি নালীর গতিপথ কোন কারণে বাধাগ্রস্থ হলে।

পাকস্থলিতে আকস্মিক তীব্র আর অসহনীয় ব্যথা অনুভব হওয়া, রক্তযুক্ত বা কালো পায়খানা এবং রক্তবমি হওয়া এ রোগের প্রধান লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

যেহেতু টেস্ট রিপোর্ট ছাড়া কোন সঠিক সমাধান আগেই বলা সম্ভব। তাই সেদিনের মত ডাক্তারের সাথে আলোচনা সেখানেই শেষ করলো রিফাত। দুইদিন পর টেস্টগুলো করিয়ে রিপোর্টগুলো সব নিজের এনজাইম প্রোফাইলে জমা করে নিলো সে। তারপর শুধু মাত্র রিপোর্ট দেখানোর জন্যে আলাদা ভাবে ব্যবস্থা থাকায় সেই অপশন সিলেক্ট করে আবারো সন্ধায় একই ডাক্তারের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিলো সে। সেবার পুরো রিপোর্ট দেখে নিয়ে ডাক্তার জানালেন তার শারীরিক সমস্যা কি এবং এখন কি কি ঔষধ রিফাতকে খেতে হবে।

ডাক্তারের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট শেষ হতেই এস.এম.এসে প্রেসক্রিপশনের লিঙ্ক চলে এলো রিফাতের কাছে। সেই পি.ডিএফ ফাইলের নিচের দিকে সে দেখতে পেলো পেপটিক আলসারের প্রতিরোধক কিছু হেলথ টিপস ডাক্তার দিয়ে দিয়েছেন।  

হেলথ টিপসঃ

  • প্রচুর পরিমাণে ফলমূল,শাকসবজি এবং শস্য জাতীয় খাবার খেতে হবে। ভিটামিনযুক্ত খাবার না খেলে আলসার প্রতিরোধ করা সম্ভব না।
  • ব্যথা উপশমকারি ঔষধ নিয়মিত সেবনের প্রয়োজন হলে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে সে অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে।
  • মানসিক চাপের কারণে পেপটিক আলসার আরও গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।মানসিক চাপের উৎসগুলো খুঁজে বের করে সেগুলো থেকে নিজেকে মুক্ত করতে হবে। কিছু চাপ এড়ানো সম্ভব না হলেও শারীর চর্চা,বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে সময় কাটিয়ে অথবা বই পড়ার মাধ্যমে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রনে আনতে হবে।
  • ধূমপান শুধুমাত্র ফুস্ফুস নয় বরং পাকস্থলির প্রাচীরও ক্ষতিগ্রস্ত করে। যার দলে পাকস্থলিকে আলসার হবার সম্ভবনা বেড়ে যায়।
  • অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে পাকস্থলি এবং অন্ত্রে মিউকাস স্তরে জ্বালাপোড়া ও ক্ষত সৃষ্টি হয় যার ফলে প্রদাহ এবং রক্ত ক্ষরণ হতে পারে।

পেপটিক আলসারের ঝুঁকি কমাতে কি কি উপায় মেনে চলা যেতে পারে সেটাও লেখা আছে একই সাথে,

  • বারবার সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া এবং
  • পুরোপুরিভাবে রান্না করা খাবার খাওয়ার 

নিয়মিত ঔষধ খেলে এই রোগ কমে যাবে সেই ব্যাপাটা পরিষ্কার ভাবে বুঝতে পারলো রিফাত। সেই সাথে এটাও বুঝতে পারলো আলসার হেলা ফেলা করার কোন রোগ নয়। এ রোগের প্রতিকার এবং প্রতিরোধ দুটোই জানা থাকা উচিৎ। 

স্বাস্থ্য বিষয়ে আমাদের অন্যান্য ব্লগগুলো পড়তে ঘুরে আসুন আমাদের ব্লগসাইটের হোমপেজ থেকে।

পেপটিক আলসার (peptic ulcer)সম্পর্কে আপনার কোনো জিজ্ঞাসা বা পরামর্শ থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুণ ইমেইল, ফেসবুক অথবা ফোন করুণ +০৯৬৩৯০০৬৬২২ নম্বরে।