প্যানিক অ্যাটাকের কারণে স্বাভাবিক পরিস্থিতি হঠাৎ করে কতোটা অস্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে সেই নাটকীয়তা নিজের চোখে দেখার পর থেকে পুরো ঘটনাটা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। রোজকার মতন কর্মব্যস্ত দিন শুরু হওয়া অফিসে যার যার ডেস্কে বসে কাজ করছি। হঠাৎ করেই কয়েক টেবিল দূর থেকে উঁচু গলার আওয়াজ পেলাম। 

নিজের চেয়ার ছেড়ে চিৎকার করে উঠে দাঁড়ালো বাপ্পি। আই.টি টিমের ইন্টার্ন হিসেবে কিছুদিন আগেই মাত্র জয়েন করা বাপ্পি নিজের চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে উঠলো। শুধু তাই নয় এসি করা অফিসেও দরদর করে ঘামছে সে। চেহারাও লাল হয়ে উঠেছে। সামনে দাঁড়িয়ে তার এক সিনিয়র কর্মকর্তা হাত নেড়ে তাকে কি যেন বোঝানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। 

একটু পরে আমাদের অফিসের কর্তব্যরত ইমারজেন্সি ডাক্তার রাজিব ভাইয়া এসে বাপ্পিকে সাথে করে নিয়ে গেলেন। তখন তাকে কিছুটা কম উত্তেজিত দেখালেও মনে হচ্ছিলো সে খুব ক্লান্ত। ঘটনা কিছু বুঝতে না পারলেও সে সময় কাজ ছেড়ে উঠে যেয়ে আর খবর নেয়ার মতন অবকাশ ছিলো না। 

লাঞ্চের বিরতিতে যে ভাইয়ার সাথে বাপ্পির উত্তপ্ত কথোপকথন চলছিলো তার সাথে দেখা। তাকেই জিজ্ঞাস করলাম সকালের ঘটনাটা নিয়ে। তিনি জানালেন, বাপ্পির প্যানিক অ্যাটাক (Panic attack) হয়েছিলো। সে জন্যেই পরবর্তিতে ডাক্তারকে ডাকা হয়েছিলো। এই রোগের ব্যাপারে আমার তেমন কোন ধারনা না থাকায় সে মুহূর্তে আর এ নিয়ে আলোচনা বাড়ালাম না। 

নিজের ডেস্কে বসে এই প্যানিক অ্যাটাক বিষয়টা নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করার সিদ্ধান্ত নিলাম। প্যানিক অ্যাটাক লিখে গুগলে সার্চ দিতেই অজস্র তথ্য চোখের সামনে চলে এলো। কিন্তু মন মত গোছানো তথ্য খুঁজে পেতে  জন্যে একটু সময় নিলাম। এনজাইম নামের বাংলাদেশী একটা ওয়েবসাইটে দেখলাম বেশ গোছানো ভাবে রোগটার বিষয়ে বর্ণনা করা রয়েছে। সেখান থেকেই পড়া শুরু করলাম। 

প্রাথমিক বিবরণ থেকে যা জানতে পারলাম তা হলো, 

প্যানিক অ্যাটাক (Panic attack) বা আতঙ্কগ্রস্থতা কি? 

যে কোন সময় হঠাৎ করে সামিয়ক ভাবে তীব্র মাত্রায় আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়াকে মূলত প্যানিক অ্যাটাক (Panic attack) বা আতঙ্কগ্রস্থতা বলে। এই আতঙ্কগ্রস্থ হবার নির্দিষ্ট কোন সময়কাল থাকে না। প্যানিক অ্যাটাকের সময়কাল কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টা পর্যন্ত হতে পারে। যে পরিস্থিতির জন্য আতঙ্কগ্রস্থতা দেখা দেয়, সেই পরিস্থিতি থেকে নিষ্কৃতি না পেলে আক্রান্ত ব্যক্তি আরও বেশি সময় ধরে আতঙ্কগ্রস্থ বোধ করতে থাকে।

প্যানিক অ্যাটাক

ব্যাপারটা বেশ জটিল এটা বুঝতে পেরে পরের অংশটাও দ্রুত পড়ে ফেললাম। 

এই অ্যাটাক কমে না আসলে এবং আতঙ্ক সৃষ্টিকারী পরিস্থিতি থেকে মুক্তি না পেলে অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তির মাঝে উন্মত্ত আচরণ দেখা দিতে পারে। শুধু তাই নয় প্যানিক অ্যাটাকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সে সময় থামানোর চেষ্টা করা হলে অনেক সময় তারা হিংস্র হয়ে উঠতে পারে। এই আতঙ্কগ্রস্থতা অনেক ক্ষেত্রে কয়েক ঘন্টার মধ্যে এমনিতেই কমে যায়। তবে সবার ক্ষেত্রে এর প্রভাব সমান ভাবে কাজ করবে এমন নয়।  

বাপ্পির সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাটা শেষপর্যন্ত কত দূর গড়াল সেটা জানার জন্যে ডাঃ রাজিবের সাথে কথা বলবো বলে চিন্তা করলাম। কাজের চাপ বেশি থাকায় সেদিন আর তার কাছে যাওয়া হলো না। পরের দিন সকালে অফিসে এসেই রাজিব ভাইয়ার রুমে গেলাম।  বাপ্পির ব্যাপারে জিজ্ঞাস করায় জানতে পারলাম যে,  তার প্যানিক অ্যাটাকের সমস্যা আগে থেকেই ছিলো। কিন্তু এই ব্যাপারে সে আগে অফিসে কিছু জানায়নি বলে গতকালের সমস্যা বুঝে উঠতে ডাঃ রাজিবের কিছুটা সময় লেগে গিয়েছিলো। 

কিন্তু প্যানিক অ্যাটাকের বিষয়ে জানার পর তিনি সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন এবং কিছুটা ভালো বোধ করার পর বাপ্পিকে বাসায় পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেন। তবে বাপ্পিকে আপাতত কিছুদিন বিশ্রাম নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। খবরটা শুনে খারাপ লাগলো। ডাঃ রাজিবকে বললাম, আমি এই প্যানিক অ্যাটাকের বিষয়ে তার কাছ থেকে একটু বিস্তারিত ভাবে জানতে চাই। 

ডাঃ রাজিব জানালেন লাঞ্চের বিরতিতে তিনি আমাকে সময় দিতে পারবেন। সেই কথা অনুযায়ী লাঞ্চের পর হাতে চায়ের কাপ নিয়ে যেয়ে বসলাম রাজিব ভাইয়ার সাথে। তিনি আমাকে বললেন, আমার মাথায় এ বিষয়ে যা যা প্রশ্ন আসে সেগুলো একে একে করতে। তিনি সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করবেন সেগুলোর উত্তর দিতে। আমি প্রথম যে প্রশ্নটি করলাম সেটি হচ্ছে, প্যানিক অ্যাটাক কি কি কারণে হতে পারে? 

ডাঃ রাজিব জানালেন, 

প্যানিক অ্যাটাকের কারনসমূহ

প্যানিক অ্যাটাক বা আতঙ্কগ্রস্থতার সঠিক কোন কারণ এখনো সুস্পষ্ট ভাবে জানা যায় না। 

তবে এই রোগ হবার পেছনে যে বিষয়গুলো ভুমিকা রাখতে পারে তার মাঝে রয়েছেঃ 

  • বংশ এবং জিনগত বিষয়।
  • উচ্চ মাত্রার শারীরিক ও মানসিক চাপ।
  • মানসিক চাপে ভোগার প্রবণতা ।
  • মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট কিছু অংশের ক্রিয়াকলাপের পরিবর্তন।

কারণগুলো শুনে নিয়ে আমি আমার পরবর্তী প্রশ্নটি করলাম, এই রোগ হলে রোগীর মাঝে কি ধরনের লক্ষন প্রকাশ পেতে পারে? 

আমার এই প্রশ্নের উত্তরে বেশ কিছু লক্ষণ ল বেশ বিস্তারিত ভাবে দিলেন ডাঃ রাজিব। আচার আচরনে অস্থিরতা প্রকাশ পাওয়া, উত্তেজিত হয়ে যাওয়া এই ব্যাপারগুলোর সাথে আরো বেশ কিছু লক্ষণ এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের মাঝে দেখা যায়। 

প্যানিক অ্যাটাকের লক্ষণ

আতঙ্কগ্রস্থতা দেখা দিলে রোগীর বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে যার মাঝে উল্লেখযোগ্য,

  • শ্বাসকষ্ট (Shortness of breath)
  • মাথা ধরা (Dizziness)
  • বুকের তীক্ষ্ণ বা চাপা ব্যথা (Sharp chest pain or tightness)
  • অনুভূতি কমে যাওয়া (Loss of sensation)
  • দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া (Breathing fast)
  • উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা (Anxiety and nervousness)
  • শ্বাস নিতে সমস্যা দেখা দেওয়া (Difficulty breathing)
  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন (Irregular heart beat)

যেহেতু এই কারণগুলো আরো বেশ কিছু রোগের লক্ষনের সাথে মিলে যেতে পারে, তাই সঠিক পরীক্ষার মাধ্যমে এই রোগ নির্নয় করে নিতে হয়।  রাজিব ভাইয়ের কাছে আমার পরবর্তী হলো, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান থেকে তিনি কি মনে করেন, প্যানিক অ্যাটাক বা আতঙ্কগ্রস্থতা মারাত্মক কোন রোগ? 

এই প্রশ্নের উত্তরে কিছুটা সময় নিয়ে ভেবে ডাঃ রাজিব উত্তর দিলেন, 

প্যানিক অ্যাটাক কি মারাত্মক কোন রোগ?  

“প্যানিক অ্যাটাকে মারাত্মক রোগ বলা যেতে পারে, কারণ এতে আক্রান্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে বিকল  হয়ে পরে।  তবে চিকিৎসার মাধ্যমে আতঙ্কগ্রস্থতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এই রোগের লক্ষণগুলোর সাথে হার্ট অ্যাটাক বা অন্যান্য জীবনঘাতী রোগের লক্ষণের মিল থাকায় অনেকে আরো বেশি আতঙ্কিত অনুভব করেন। একমাত্র সঠিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাই এই সমস্যাকে নির্নয় করা সম্ভব।  

লাঞ্চের বিরতি প্রায় শেষ হয়ে আসায় আর একটা মাত্র প্রশ্ন করলাম তাকে। আতঙ্কগ্রস্থতায় আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা গ্রহণ করলে বা না করলে পরবর্তীতে কি হতে পারে? 

নিজেদের ডেস্কে ফিরতে ফিরতে এই প্রশ্নের জবাবে ডাঃ রাজিব জানালেন, 

সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে আতঙ্কগ্রস্থতা প্রতিরোধ করা সম্ভব। সাইকোথেরাপি এবং এই রোগের জন্যে নির্ধারিত ঔষধ নিয়মিত সেবন করলে রোগীরা উপকার পেয়ে থাকেন। সাধারণত চিকিৎসা শুরুর দুই-তিন মাসের মধ্যেই অবস্থার পরিবর্তন হতে দেখা যায়। সেই সাথে চিকিৎসার মাধ্যমে প্যানিক অ্যাটাকের তীব্রতা এবং বারবার ফিরে আসার প্রবণতাও কমানো সম্ভব। তবে কেউ চিকিৎসা গ্রহণে অনিচ্ছুক হলে পুনরায় এই রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভবনা অনেক বেশি থাকে। 

এই রোগের বিষয়ে অনেকগুলো তথ্য আমাকে জানানোর জন্যে রাজিব ভাইকে ধন্যবাদ দিয়ে সেদিনের মতন তার কাছ থেকে বিদায় নিলাম। 

এই আলোচনার বেশ কয়দিন পরের কথা। হঠাৎ একদিন দেখলাম বাপ্পির ডেস্কে অন্য একটি ছেলে কাজ করেছে। এইচ.আরের কাছ থেকে জানতে পারলাম বাপ্পির যায়গাতেই সে জয়েন করেছে। শেষ পর্যন্ত বাপ্পি তাহলে চাকরিটা আর করতে পারলো না! এমনিতে খুব বেশি পরিচয় না থাকলেও অসুস্ততার কারণে ছেলেটা চাকরী ছেড়ে দিলো ভেবে মনটা খারাপ হয়ে গেলো।

প্যানিক অ্যাটাকের ভয়াবহতা বিষয়ে বেশ কিছুটা ধারনা আগেই হয়েছিলো তারপরও কিছু প্রশ্ন মাথায় ঘুরতে থাকায় প্রথম দিনের সার্চের সময় খুঁজে পাওয়া এনজাইমের ওয়েব সাইটে আবার প্রবেশ করলাম। প্যানিক অ্যাটাকের নাম লিখে সার্চ করতেই আরো বেশ কিছু অজানা তথ্য পেয়ে গেলাম সেখানে। যার মাঝে আছে, কারা প্যানিক অ্যাটাক বা আতঙ্কগ্রস্থতার ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকিতে আছেন, 

কারা প্যানিকের অ্যাটাকের ঝুঁকিতে রয়েছেন? 

  • বংশে কারো আতঙ্কগ্রস্থতা ও প্যানিক ডিজঅর্ডার (panic disorder) থাকলে। 
  • উচ্চমাত্রার শারীরিক ও মানসিক চাপ।
  • প্রিয়জনের অসুস্থতা বা মৃত্যু।
  • জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসা। যেমন: সন্তান জন্মদান।
  • শৈশবে শারীরিকভাবে নিগৃহীত হওয়া বা যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া।
  • ট্রমা (মানসিক আঘাত) সৃষ্টিকারী কোনো ঘটনার অভিজ্ঞতা থাকা, যেমন কোনো দুর্ঘটনা বা যৌন নির্যাতন।

আতঙ্কগ্রস্থতা প্রতিরোধে কোন বিষয়গুলো অনুসরন করা যেতে পারে সে বিষয়েও সুন্দর হেলথ টিপস দেয়া আছে সেখানে। 

প্যানিক অ্যাটাকের বিষয়ে হেলথ টিপস

শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করা: যেহেতু প্যানিক অ্যাটাকের সময় শ্বাস-প্রশ্বাস সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেয়ার সম্ভবনা থাকে , তাই শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ শেখা ভালো উপকারে আসতে পারে। এ জন্যে ধীরে ধীরে (৫ সেকেন্ড) নিঃশ্বাস টেনে নিয়ে ২ থেকে ৩ সেকেন্ড আটকে রাখুন। এবার আরো ধীর গতিতে (৭ সেকন্ড)  নিঃশ্বাস ছাড়ুন। নিজের ভেতর আতঙ্ক সৃষ্টি হবার সম্ভবনা দেখা দিলে এই প্রক্রিয়ায় নিঃশ্বাস নেয়া যেতে পারে। 

নিয়মিত ব্যায়াম করা:  শারীরিক কসরত বা ব্যায়াম উদ্বেগ কমাতে কাজে আসে। তবে খেয়াল রাখতে হবে কেউ যেন ব্যায়ামের ফলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়াকে আতঙ্কগ্রস্থতার লক্ষণ হিসেবে ধরে নিয়ে আরো বেশি আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে না পড়ে। 

স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন: স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দূর করতে সহায়তা করে। স্বাস্থ্যসম্মত জীবন ব্যবস্থায় স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি হলে আতঙ্কগ্রস্থতার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে।

আতঙ্কগ্রস্থতার জন্য প্রস্তুত থাকাঃ  প্যানিক অ্যাটাক প্রতিরোধের জন্যে এই রোগে আক্রান্ত হবার ব্যাপারে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা জরুরী। বিষয়টি কঠিন মনে হলেও আয়ত্য করা সম্ভব। আতঙ্কগ্রস্থতা যে কোন সময় হতে পারে এ বিষয় মেনে নিতে হবে। কোন কারণে আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়লে আতঙ্ক কমার জন্যে অপেক্ষা করে তারপর নিজের কাজে মনোনিবেশ করার চেষ্টা করা উচিৎ।

ডাঃ রাজিবের সাথে আলোচনা আর এনজাইমের ওয়েবসাইটের তথ্য থেকে এই রোগের বিষয়ে বেশ ভালো গোছানো একটা ধারনা হয়ে গেছে আমার। প্যানিক অ্যাটাক বিষয়ক সমস্যা যদিও আমার বা আমার পরিবারে কারো নেই, তবু এই রোগের বিষয়ের জ্ঞান ভবিষ্যতে কাজে আসতে পারে বলেই আমার ধারনা। 

স্বাস্থ্য বিষয়ে আমাদের অন্যান্য ব্লগগুলো পড়তে ঘুরে আসুন আমাদের ব্লগসাইটের হোমপেজ থেকে।